জামদানি বুনন
Jamdani Weaving
রূপগঞ্জ আর সোনারগাঁওয়ের তাঁতিরা হাতে বোনেন মিহি জামদানি শাড়ি। নকশা ওঠে একটা একটা সুতো ধরে।
জামদানি মিহি সুতির কাপড়। এর নকশা ছাপা হয় না, সেলাইও করা হয় না। গর্ত‑তাঁতে বসে হাতে বুনতে বুনতেই কাপড়ের ভেতরে নকশা ফুটে ওঠে। এর শিকড় সেই বিখ্যাত ঢাকাই মসলিনে। ২০১৩ সালে ইউনেস্কো জামদানি বুননের শিল্পকে স্বীকৃতি দেয়। দুজন তাঁতি পাশাপাশি বসে বাঁশের কাঠি দিয়ে নকশার প্রতিটা সুতো গেঁথে দেন। তাই ভালো একটা শাড়ি বুনতে কয়েক সপ্তাহ, কখনো কয়েক মাস লেগে যায়। রূপগঞ্জ আর সোনারগাঁও উপজেলায়, তারাব আর নোয়াপাড়ার আশপাশের গ্রামে এখনো ঘরে ঘরে তাঁত চলে।
জেনে রাখুন
কোনো তাঁতির বাড়িতে যেতে চাইলে স্থানীয় গাইডকে বলুন, ব্যবস্থা করে দেবে। সরাসরি তাঁতিদের কাছ থেকে কিনলে এই শিল্পটা টিকে থাকতে একটু হলেও সাহায্য হয়।