
জামালপুর Jamalpur
নকশিকাঁথা, প্যারা সন্দেশ আর গারো পাহাড়ের পাদদেশ
জামালপুরের এক পাশে যমুনা, আরেক পাশে পুরোনো ব্রহ্মপুত্র। উত্তরে জেলাটা গিয়ে ঠেকেছে গারো পাহাড়ের পায়ের কাছে। জামালপুরের নাম শুনলে লোকে আগে বলে নকশিকাঁথার কথা, তারপর সরিষাবাড়ীর প্যারা সন্দেশ। আর আছে লাউচাপড়ার মতো নিরিবিলি টিলা।
- নকশিকাঁথা
- সরিষাবাড়ীর প্যারা সন্দেশ
- লাউচাপড়ার টিলা
- যমুনার চর
ঘোরার জায়গা
ঘোরার জায়গা লাউচাপড়া
Lauchapraবকশীগঞ্জে ভারত সীমান্তে বনে ঢাকা নিচু টিলা। ওয়াচটাওয়ার থেকে চোখে পড়ে গারো পাহাড়।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা গান্ধী আশ্রম
Gandhi Ashramমেলান্দহে গ্রামীণ আশ্রম ও জাদুঘর। গ্রামকে স্বাবলম্বী করার গান্ধীর ভাবনা থেকে এর জন্ম।
ঘোরার জায়গা বাহাদুরাবাদ ঘাট
Bahadurabad Ghatদেওয়ানগঞ্জে যমুনার ঐতিহাসিক ঘাট। সামনে যতদূর চোখ যায় নদী আর ভাঙা‑গড়ার চর।
ঘোরার জায়গা শ্রী শ্রী দয়াময়ী মন্দির
Sri Sri Dayamoyee Templeজামালপুর শহরের মাঝখানে ১৬৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত মন্দির। শহরের সবচেয়ে পরিচিত হিন্দু মন্দির।
ঘোরার জায়গা মসজিদে নূর, বকশীগঞ্জ
Masjid-e-Noor, Bakshiganjবকশীগঞ্জ শহরের মুখে সাদা মার্বেলের নতুন মসজিদ, তুরস্কের অটোমান ধাঁচে বানানো।
খাবার
খাবার সরিষাবাড়ীর প্যারা সন্দেশ
Sarishabari Para Sandeshঘন ক্ষীর থেকে বানানো জমাট সন্দেশ। জামালপুরের সবচেয়ে নামকরা মিষ্টি।
খাবার চরের বাদাম
Jamuna Char Peanutsযমুনার চরের টাটকা চিনাবাদাম, গরম বালুতে ভেজে রাস্তার ধারে বিক্রি হয়।
খাবার জামালপুরের বুড়িমার মিষ্টি
Burima's Sweetsজামালপুর শহরের আমলাপাড়ার মিষ্টির দোকান। চল্লিশের দশকের শেষে এক নারীর হাতে শুরু, এখনো চালাচ্ছে তাঁর পরিবার।
প্রতীকী ছবি খাবার জামালপুরের ছানার পোলাও
Jamalpur Chhanar Polaoজামালপুরের কম মিষ্টি ছানার মিষ্টান্ন। এলাকার গরুর দুধে বানানো, জ্বাল হয় কাঠের আগুনে।
ঐতিহ্য
কোথায় থাকবেন
সব জেলার হোটেল ভাড়া দেখুন →- সাধারণ হোটেল
- ৳৮০০–২,০০০
- ভালো হোটেল
- ৳২,০০০–৪,০০০
- অভিজাত রিসোর্ট
- তথ্য নেই
এই জেলার দামের সীমাটা আশপাশের জেলা দেখে আনুমানিক ধরা। নিচে কোনো হোটেলের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
দামগুলো কোথা থেকে
আনুমানিক: জামালপুরের হোটেল ভাড়ার নির্ভরযোগ্য সূত্র পাওয়া যায়নি; কুষ্টিয়া, নওগাঁ, নেত্রকোনা, গাইবান্ধার মতো জেলা শহরের পাওয়া দাম আর পর্যটন মোটেলের ভাড়া দেখে ধরা।
দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।
কোথায় খাবেন, খরচ কত
এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৭৫০–২,৭০০
কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।
এই জেলার রেস্টুরেন্টের দাম আমাদের হাতে নেই।
চেখে দেখুন
- সরিষাবাড়ীর প্যারা সন্দেশ সরিষাবাড়ী শহরের মিষ্টির দোকানে
- চরের বাদাম দেওয়ানগঞ্জ আর ইসলামপুরের বাজার ও নদীর ধারের দোকানে
- জামালপুরের বুড়িমার মিষ্টি জামালপুর শহরের কেন্দ্রে আমলাপাড়ার বুড়িমা মিষ্টান্ন ভান্ডার
- জামালপুরের ছানার পোলাও জামালপুর শহরের পুরোনো মিষ্টির দোকান
দামগুলো কোথা থেকে
এই জেলার আলাদা কোনো খাবারের দামের জরিপ পাইনি। সস্তা হোটেলের হিসাব ঢাকার বাইরের ভাতের হোটেলের খবর থেকে (মাছ বা মাংস দিয়ে ভাত ৮০-১৫০ টাকা, ভাত-ভর্তা-ডালের নাশতা ২০-৫০ টাকা, ২০২৩-২০২৬), আর মাঝারি হিসাব শহরের ভালো রেস্তোরাঁ বা চেইন দোকানের দাম দেখে। জামালপুরের কোনো রেস্তোরাঁ বা মিষ্টির দোকানের দামসহ তালিকা পাইনি।
দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।
এই জেলার হাতের কাজ বা খাবার পাবেন আমাদের দোকানে।



