
দিনাজপুর Dinajpur
পোড়ামাটির মন্দির, বিশাল দিঘি আর লিচুবাগান
দেশের সবচেয়ে সুন্দর পোড়ামাটির মন্দির কান্তজীউ দিনাজপুরে। আছে আঠারো শতকের বিশাল দিঘি রামসাগর, এখন যেটা জাতীয় উদ্যান। এখানকার মাটি খুব উর্বর। এই মাটিতেই ফলে সুগন্ধি কাটারিভোগ চাল, আর সেই লিচু, যার খোঁজে প্রতি গরমে সারা দেশ দিনাজপুরের দিকে তাকিয়ে থাকে।
- কান্তজীউ মন্দির
- রামসাগর
- দিনাজপুরের লিচু
- কাটারিভোগ চাল
- দিনাজপুর রাজবাড়ী
ঘোরার জায়গা
ঘোরার জায়গা কান্তজীউ মন্দির
Kantajew Templeআঠারো শতকের মন্দির। প্রতিটা দেয়াল পোড়ামাটির ফলকে বলা গল্পে ভরা।
ঘোরার জায়গা রামসাগর জাতীয় উদ্যান
Ramsagar National Parkকয়েকশো বছরের পুরোনো বিশাল দিঘি। চারপাশে গাছপালা, পিকনিকের জায়গা আর পাখি।
ঘোরার জায়গা দিনাজপুর রাজবাড়ী
Dinajpur Rajbariদিনাজপুরের রাজাদের ভাঙাচোরা প্রাসাদ। চত্বরের মন্দিরগুলোতে আজও পূজা হয়।
ঘোরার জায়গা স্বপ্নপুরী
Swapnapuriআফতাবগঞ্জের বিশাল পিকনিক আর বিনোদন পার্ক। শীতের বনভোজনের জন্য উত্তরবঙ্গে সবাই এক নামে চেনে।
ঘোরার জায়গা সিংড়া জাতীয় উদ্যান
Singra National Parkদিনাজপুরের উত্তরে নিরিবিলি এক শালবন। মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে ছোট্ট নর্ত নদী।
ঘোরার জায়গা নবাবগঞ্জ জাতীয় উদ্যান
Nawabganj National Parkদিনাজপুরের দক্ষিণে নবাবগঞ্জ শহরের গা ঘেঁষে বিশাল শাল‑সেগুনের বন।
ঘোরার জায়গা সুরা মসজিদ
Sura Mosqueঘোড়াঘাটের কাছে পুরোনো দিঘির পাড়ে সুলতানি আমলের ছোট্ট মসজিদ, ইট আর কালো পাথরে গড়া।
ঘোরার জায়গা দিনাজপুর জাদুঘর
Dinajpur Museumছোট শহরের জাদুঘর, কিন্তু ভাণ্ডার ভরা—উত্তরবঙ্গের নানা জায়গা থেকে আনা মূর্তি, মুদ্রা আর শিলালিপি।
খাবার
খাবার দিনাজপুরের লিচু
Dinajpur Litchiদেশের সবচেয়ে নামকরা লিচু, দিনাজপুর শহরের আশপাশের বাগান থেকে।
খাবার কাটারিভোগ চাল ও চিড়া
Kataribhog Rice and Chiraদিনাজপুরের চিকন সুগন্ধি চাল। পোলাও, পায়েস আর চিড়ার জন্য এর জুড়ি নেই।
খাবার দিনাজপুরের পাঁপড়
Dinajpur Papadদিনাজপুর শহরের হাজারো ঘরে বানানো পাতলা ডালের পাঁপড়। যায় সারা দেশে।
ঐতিহ্য
কোথায় থাকবেন
সব জেলার হোটেল ভাড়া দেখুন →- সাধারণ হোটেল
- ৳৫০০–১,০০০
- ভালো হোটেল
- ৳৩,৫০০–৪,০০০
- অভিজাত রিসোর্ট
- তথ্য নেই
হোটেলের নাম ও দাম (১টি)
- পর্যটন মোটেল দিনাজপুর হাউজিং মোড়, দিনাজপুর
দামগুলো কোথা থেকে
সস্তা হোটেলের দাম ডেইলি স্টারের নভেম্বর ২০২৪ সালের গাইড থেকে: শহরের সাধারণ হোটেলে রাতে ৫০০-১,০০০ টাকা। মাঝারি দাম পর্যটন মোটেল দিনাজপুরের ২০২৬ সালের ভাড়া থেকে। ২০২৪ সালের ওই গাইডে পর্যটন মোটেলের ভাড়া ছিল ১,৫০০-২,২০০ টাকা, এরপর বেড়েছে।
দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।
কোথায় খাবেন, খরচ কত
এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৬৫০–২,৬৫০
কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।
এই জেলার রেস্টুরেন্টের দাম আমাদের হাতে নেই।
চেখে দেখুন
- দিনাজপুরের লিচু মে মাসের শেষ থেকে জুন পর্যন্ত দিনাজপুর শহরের লিচুর বাজারে আর মাসিমপুরের বাগানগুলোতে শ' হিসেবে বিক্রি হয়। জাত বুঝে ১০০টা লিচু মোটামুটি ৩০০–৭০০ টাকা
- কাটারিভোগ চাল ও চিড়া দিনাজপুর শহরের বাজারের চাল আর মুদি দোকানে কেজি আনুমানিক ১০০–১৫০ টাকা
- দিনাজপুরের পাঁপড় দিনাজপুর শহরের চকবাজারের পাঁপড়ের দোকান আর কারখানায় ডালভেদে কেজি প্রায় ১৫০–২৫০ টাকা
দামগুলো কোথা থেকে
তথ্য কম: দিনাজপুরের কোনো হোটেলের দাম পাওয়া যায়নি (শুধু ২০২৬ সালে পাঁপড় কেজি ১৫০-২৫০ টাকা)। খাবারের খরচ ধরা হয়েছে উত্তরবঙ্গের ২০২৪-২৫ সালের পাওয়া দাম থেকে, যেমন গাইবান্ধার কাছে ভাত-গরুর মাংস-ভর্তার পুরো প্লেট ১৩০ টাকা, রাজশাহীতে কালাভুনা দিয়ে খাওয়া ১০০-১৫০ টাকা, নওগাঁয় বিরিয়ানি ১৮০-২০০ টাকা।
দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।
এই জেলার হাতের কাজ বা খাবার পাবেন আমাদের দোকানে।




