
মাগুরা Magura
মধুমতির পাড়ে রাজা সীতারামের রাজধানী
নবগঙ্গা, গড়াই আর মধুমতির মাঝখানে চুপচাপ এক নদীর জেলা মাগুরা। এখানে আসার মূল টান মোহাম্মদপুর। সতেরো‑আঠারো শতকে মোগলদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো রাজা সীতারাম রায় এখানে রাজধানী গড়েছিলেন। গ্রামের বাড়িঘরের ফাঁকে এখনো তাঁর মন্দির, দিঘি আর রাজবাড়ির ভাঙা দেয়াল। কবি ফররুখ আহমদের জন্মও এই জেলায়।
- রাজা সীতারাম রায়
- মধুমতি নদী
- কবি ফররুখ আহমদ
- খেজুরের গুড়
ঘোরার জায়গা
ঘোরার জায়গা মোহাম্মদপুরে রাজা সীতারাম রায়ের রাজবাড়ি
Raja Sitaram's palace ruins, Mohammadpurমোগলদের সঙ্গে টক্কর দেওয়া এক রাজার রাজধানী। ভেঙে পড়া রাজবাড়ির দেয়াল, মন্দির আর বড় বড় দিঘি।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা কানাইনগরের মন্দির
Kanainagar templeমোহাম্মদপুরের দুর্গের একটু পশ্চিমে রাজা সীতারামের বানানো পঞ্চরত্ন ইটের মন্দির।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা মাঝাইলে কবি ফররুখ আহমদের জন্মস্থান
Farrukh Ahmad's birthplace, Majhailশ্রীপুরে বিশ শতকের বাংলাদেশের বড় কবিদের একজনের গ্রামের বাড়ি।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা শ্রীপুর জমিদারবাড়ি
Sreepur Zamindar Bariশ্রীপুরে এক জমিদারবাড়ির ভেঙে পড়া সিংহদরজা। এলাকার লোকজন বলে, রবীন্দ্রনাথের ‘বৌঠাকুরানীর হাট’-এর গল্প এই বাড়ি ঘিরেই।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা সিদ্ধেশ্বরী মঠ, আঠারখাদা
Siddheshwari Math, Atharokhadaনবগঙ্গার পাড়ে পুরোনো এক হিন্দু মঠ, মাগুরা শহর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে।
খাবার
ঐতিহ্য
কোথায় থাকবেন
সব জেলার হোটেল ভাড়া দেখুন →- সাধারণ হোটেল
- ৳৬০০–১,৫০০
- ভালো হোটেল
- ৳১,৫০০–৩,০০০
- অভিজাত রিসোর্ট
- তথ্য নেই
এই জেলার দামের সীমাটা আশপাশের জেলা দেখে আনুমানিক ধরা। নিচে কোনো হোটেলের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
দামগুলো কোথা থেকে
আনুমানিক: মাগুরার হোটেল ভাড়ার নির্ভরযোগ্য সূত্র পাওয়া যায়নি; কুষ্টিয়া (৫০০–২,০০০), মেহেরপুর (৫০০–২,০০০), নওগাঁর (৫০০–৩,০০০) মতো ছোট জেলা শহরের পাওয়া দাম দেখে ধরা।
দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।
কোথায় খাবেন, খরচ কত
এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৭০০–২,২০০
কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।
এই জেলার রেস্টুরেন্টের দাম আমাদের হাতে নেই।
চেখে দেখুন
- মাগুরার খেজুর গুড় মাগুরা শহর আর শালিখার আশপাশের গ্রামের হাটে
- খেজুর গুড়ের শীতের পিঠা মাগুরা শহরের আশপাশে সন্ধ্যার পিঠার দোকানে দোকানে প্রতিটি মোটামুটি ১০–২০ টাকা
দামগুলো কোথা থেকে
তথ্য কম: মাগুরার কোনো হোটেলের দাম সূত্রে পাওয়া যায়নি। খাবারের খরচ ধরা হয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমের পাওয়া দাম থেকে: ২০২৩ সালের এক প্রতিবেদনে কাছের পিরোজপুরের এক সস্তা হোটেলে মাছ বা মাংস দিয়ে খাওয়া ৮০-৮৫ টাকা, শহরের অন্য হোটেলে অন্তত ১০০-১৫০ টাকা; ২০২৫ সালে যশোরের জলযোগে লুচি ৭ টাকা, ডাল বা সবজি প্লেট ১৫ টাকা। পরে দাম যতটা বেড়েছে, সেটাও ধরা হয়েছে।
দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।



