ExploreBangladesh
English
ছবি: THENKB · CC BY-SA 4.0

মেহেরপুর সীমান্তের ছোট্ট জেলা, কিন্তু ইতিহাসে এর জায়গা অনেক বড়। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলার এক আমবাগানে বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ নেয়। সেদিন থেকে জায়গাটার নাম মুজিবনগর। এর সঙ্গে আছে নীলকরদের আমলের কুঠিবাড়ি আর প্রায় শত বছরের পুরোনো দুটো মিষ্টি।

কীসের জন্য বিখ্যাত
  • মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ
  • আমঝুপি নীলকুঠি
  • সাবিত্রী মিষ্টি
  • রসকদম

ঘোরার জায়গা

খাবার

অচেনা জায়গা

ঐতিহ্য

২০২৪ সালের দাম রুমপ্রতি এক রাতের ভাড়া
সাধারণ হোটেল
৳৫০০–১,৫০০
ভালো হোটেল
৳১,৫০০–২,৫০০
অভিজাত রিসোর্ট
তথ্য নেই
দামগুলো কোথা থেকে

ডেইলি স্টার (ডিসেম্বর ২০২৩/জানুয়ারি ২০২৪): মেহেরপুরে উন্নতমানের হোটেল নেই; আবাসিক হোটেল, জেলা পরিষদ আর সূর্যোদয় ডাকবাংলোতে রাতে ৫০০ থেকে ২,০০০ টাকা। পর্যটন করপোরেশনেরও একটা মোটেল আছে (অনলাইনে দাম নেই)। মাঝারি স্তরের ওপরের দিকটা আনুমানিক।

দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।

কোথায় খাবেন, খরচ কত

আনুমানিক জনপ্রতি দিনে খাওয়ার খরচ
সাধারণ হোটেল ৳৩৮০
নাশতা ৳৬০দুপুর ৳১৩০রাত ৳১৫০চা‑নাশতা ৳৪০
ভালো রেস্টুরেন্ট ৳৬৯০
নাশতা ৳১২০দুপুর ৳২৩০রাত ৳২৬০চা‑নাশতা ৳৮০
অভিজাত তথ্য নেই

এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।

এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৬৫০–১,৯৫০

কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।

এই জেলার রেস্টুরেন্টের দাম আমাদের হাতে নেই।

চেখে দেখুন

  • সাবিত্রী মিষ্টি মেহেরপুর শহরের পুরোনো মিষ্টির দোকানে কেজিপ্রতি আনুমানিক ৪০০–৬০০ টাকা
  • রসকদম মেহেরপুর শহরের মিষ্টির দোকানে কেজিপ্রতি আনুমানিক ৪০০–৬০০ টাকা
  • মেহেরপুরের হিমসাগর আম জুনে আমঝুপি আমবাজারে আর মেহেরপুর সদরের আশপাশের বাগানে
দামগুলো কোথা থেকে

তথ্য কম: মেহেরপুরের কোনো হোটেলের দাম সূত্রে পাওয়া যায়নি। খাবারের খরচ ধরা হয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমের পাওয়া দাম থেকে: ২০২৩ সালের এক প্রতিবেদনে কাছের পিরোজপুরের এক সস্তা হোটেলে মাছ বা মাংস দিয়ে খাওয়া ৮০-৮৫ টাকা, শহরের অন্য হোটেলে অন্তত ১০০-১৫০ টাকা; ২০২৫ সালে যশোরের জলযোগে লুচি ৭ টাকা, ডাল বা সবজি প্লেট ১৫ টাকা। পরে দাম যতটা বেড়েছে, সেটাও ধরা হয়েছে।

দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।

কাছের জেলা