
সাতক্ষীরা Satkhira
আগাম আমের দেশ, সুন্দরবনের পশ্চিম দুয়ার
সাতক্ষীরা দেশের একেবারে দক্ষিণ‑পশ্চিম কোণে। একপাশে ভারত সীমান্ত, আরেক পাশে পশ্চিম সুন্দরবন। দেশের সবার আগে যে আম বাজারে ওঠে, তার অনেকটাই আসে এখানকার বাগান থেকে। উপকূলের ঘেরে চলে কাঁকড়া আর চিংড়ির চাষ। আর শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জ বা বুড়িগোয়ালিনীতে গেলে নদী পেরোলেই বন।
- সাতক্ষীরার আম
- পশ্চিম সুন্দরবন
- যশোরেশ্বরী কালী মন্দির
- কাঁকড়া আর চিংড়ির ঘের
ঘোরার জায়গা
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা মুন্সিগঞ্জ ও বুড়িগোয়ালিনী
Munshiganj and Burigoaliniশ্যামনগরের নদীপাড়ের দুই গ্রাম। রাস্তা এখানে শেষ, ওপারেই পশ্চিম সুন্দরবন।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা কলাগাছিয়া ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র
Kalagachhia eco-tourism centreপশ্চিম সুন্দরবনের ভেতরে কাঠের উঁচু হাঁটাপথ আর ওয়াচটাওয়ার। বুড়িগোয়ালিনী থেকে নৌকায় সহজেই যাওয়া যায়।
ঘোরার জায়গা যশোরেশ্বরী কালী মন্দির
Jeshoreshwari Kali Templeঈশ্বরীপুরের পুরনো কালী মন্দির। বাংলার হিন্দুদের কাছে এটা শক্তিপীঠ, খুব ভক্তির জায়গা।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা মান্দারবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত
Mandarbaria Sea Beachপশ্চিম সুন্দরবন যেখানে সরাসরি বঙ্গোপসাগরে নেমেছে, সেখানে লম্বা ফাঁকা এক সৈকত।
ঘোরার জায়গা প্রবাজপুর শাহী মসজিদ
Prabajpur Shahi Mosque১৬৯৩ সালের লাল ইটের মোগল মসজিদ, কালীগঞ্জের কাছে। এখনো রোজ নামাজ হয়।
খাবার
খাবার সাতক্ষীরার আম
Satkhira mangoesহিমসাগরসহ নানা জাতের আম, মৌসুমের একদম শুরুতেই বাজারে চলে আসে। ঘ্রাণে আর মিষ্টিতে জুড়ি নেই।
খাবার শ্যামনগরের কাঁকড়া ও চিংড়ি
Shyamnagar crab and shrimpউপকূলের ঘেরে বড় হওয়া শিলা কাঁকড়া আর বাগদা চিংড়ি, এখানকার হোটেলে ঝাল ঝাল রান্না।
খাবার সাতক্ষীরার সন্দেশ
Satkhira Sandeshসাতক্ষীরার সেরা মিষ্টি সন্দেশ। শীতে নলেন গুড়ে বানালে তার স্বাদ আরও খোলে।
ঐতিহ্য
কোথায় থাকবেন
সব জেলার হোটেল ভাড়া দেখুন →- সাধারণ হোটেল
- ৳৮০০–২,০০০
- ভালো হোটেল
- ৳২,০০০–৪,০০০
- অভিজাত রিসোর্ট
- তথ্য নেই
এই জেলার দামের সীমাটা আশপাশের জেলা দেখে আনুমানিক ধরা। নিচে কোনো হোটেলের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
দামগুলো কোথা থেকে
আনুমানিক: সাতক্ষীরার হোটেল ভাড়ার নির্ভরযোগ্য সূত্র পাওয়া যায়নি; কুষ্টিয়া, নওগাঁ, নেত্রকোনা, গাইবান্ধার মতো জেলা শহরের পাওয়া দাম আর পর্যটন মোটেলের ভাড়া দেখে ধরা।
দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।
কোথায় খাবেন, খরচ কত
এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৮০০–২,৭০০
কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।
রেস্টুরেন্ট আর খাবারের দাম (২টি)
- ফকির মিষ্টান্ন ভান্ডার নাজমুল সরণি, সাতক্ষীরা শহর
- সন্দেশ · ৳৩৭০/কেজি
- স্বর্ণপুরী বা ক্ষীর সন্দেশ · ৳৪২০/কেজি
- জামরুল, গোলাপজাম বা চমচম · ৳৩২০/কেজি
সাধারণ হোটেল ২০২৪ সালের দাম · সূত্র - ভাগ্যকুল সুইটস সাতক্ষীরা শহরের শোরুম
- সন্দেশ · ৳৩৬০/কেজি
- রসমালাই বা গুড়ের সন্দেশ · ৳৪০০/কেজি
- রসগোল্লা · ৳৩০০/কেজি
সাধারণ হোটেল ২০২৪ সালের দাম · সূত্র
চেখে দেখুন
- সাতক্ষীরার আম সাতক্ষীরা শহরের ফলের বাজার, আর কলারোয়া ও সাতক্ষীরা সদরের আমবাগান মৌসুমে কেজিপ্রতি আনুমানিক ৮০–১৫০ টাকা
- শ্যামনগরের কাঁকড়া ও চিংড়ি শ্যামনগর আর মুন্সিগঞ্জের বাজার ও খাবার হোটেল
- সাতক্ষীরার সন্দেশ সাতক্ষীরা শহরের নাজমুল সরণির ফকির মিষ্টান্ন ভান্ডার আর শহীদ কাজল সরণিতে হোটেল সাগরের সাগর মিষ্টান্ন ভান্ডার কেজি প্রায় ৩৬০–৪২০ টাকা (২০২৪ সালের হিসাবে)
দামগুলো কোথা থেকে
তথ্য কম: সাতক্ষীরায় শুধু মিষ্টির দোকানের দাম পাওয়া গেছে (২০২৪-২৫)। খাবারের খরচ ধরা হয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমের পাওয়া দাম থেকে: ২০২৩ সালের এক প্রতিবেদনে কাছের পিরোজপুরের এক সস্তা হোটেলে মাছ বা মাংস দিয়ে খাওয়া ৮০-৮৫ টাকা, শহরের অন্য হোটেলে অন্তত ১০০-১৫০ টাকা; ২০২৫ সালে যশোরের জলযোগে লুচি ৭ টাকা, ডাল বা সবজি প্লেট ১৫ টাকা। পরে দাম যতটা বেড়েছে, সেটাও ধরা হয়েছে।
দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।
এই জেলার হাতের কাজ বা খাবার পাবেন আমাদের দোকানে।




