
নোয়াখালী Noakhali
হরিণের দ্বীপ, উপকূলের চর আর গান্ধীর শান্তিযাত্রা
নোয়াখালীর উত্তরে ফসলের মাঠ, দক্ষিণে মেঘনার মোহনায় জেগে উঠছে নতুন নতুন দ্বীপ। একেবারে শেষ মাথায় নিঝুম দ্বীপ। ম্যানগ্রোভে ঢাকা এই দ্বীপে সন্ধ্যা নামলে চিত্রা হরিণ বেরিয়ে আসে ঘাস খেতে। ভেতরের দিকে ছড়িয়ে আছে ১৯৪৬–৪৭ সালে গান্ধীর শান্তি মিশনের স্মৃতি, আর মোগল আমলের সুন্দর কয়েকটা মসজিদ।
- নিঝুম দ্বীপ
- চিত্রা হরিণ
- গান্ধী আশ্রম
- মহিষের দই
- হাতিয়া দ্বীপ
ঘোরার জায়গা
ঘোরার জায়গা নিঝুম দ্বীপ
Nijhum Dwipহাতিয়ার দক্ষিণে দূরের এক ম্যানগ্রোভ দ্বীপ। ভোরবেলা বনের ভেতর থেকে দল বেঁধে বেরিয়ে আসে চিত্রা হরিণ।
ঘোরার জায়গা হাতিয়া দ্বীপ
Hatiya Islandমেঘনার মোহনায় বড়সড় এক দ্বীপ, মানুষের ভরা সংসার। ধানখেত, হাটবাজার আর চওড়া নদীর দৃশ্য।
ঘোরার জায়গা গান্ধী আশ্রম, জয়াগ
Gandhi Ashram, Joyag১৯৪৭ সালে শান্তি মিশনের সময় গান্ধী যে গ্রামে ছিলেন। এখন সেখানে জাদুঘর আর জনকল্যাণের ট্রাস্ট।
ঘোরার জায়গা বজরা শাহী মসজিদ
Bajra Shahi Mosqueসোনাইমুড়ীতে বড় দিঘির পাড়ে তিন গম্বুজের মোগল মসজিদ, আঠারো শতকের।
খাবার
খাবার চরের মহিষের দই
Char Buffalo Curdউপকূলের চরের মহিষের দুধের দই। টক টক, ঘন, জমানো হয় মোটা মাটির হাঁড়িতে।
খাবার চিতই পিঠা ও হাঁসের মাংস
Chitoi Pitha with Duck Curryমাটির ছাঁচে বানানো নরম, ফাঁপা চিতই পিঠা। শীতের সকালে ঝাল হাঁসের মাংসের সঙ্গে খাওয়া হয়।
খাবার হাতিয়ার ইলিশ ও নোনা ইলিশ
Hatiya Hilsa and Nona Ilishমেঘনার মোহনা আর সাগর থেকে হাতিয়ার ঘাটে নামা টাটকা ইলিশ। আর মাসের পর মাস লবণে জারানো নোনা ইলিশ।
ঐতিহ্য
কোথায় থাকবেন
সব জেলার হোটেল ভাড়া দেখুন →- সাধারণ হোটেল
- ৳১,০০০–২,০০০
- ভালো হোটেল
- ৳১,৫০০–৩,০০০
- অভিজাত রিসোর্ট
- তথ্য নেই
ভিড়ের সময়: নিঝুম দ্বীপে থাকার জায়গা কম; শীতের ছুটির দিনে আগে বুকিং দিয়ে যান।
দামগুলো কোথা থেকে
নিঝুম দ্বীপের বন্দরটিলা আর নামার বাজারের রিসোর্টে রুমভাড়া মোটামুটি ১,৫০০–৩,০০০ টাকা (ডেইলি স্টার, নভেম্বর ২০২৩); মাইজদী শহরের সস্তা হোটেলের ভাড়া আনুমানিক।
দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।
কোথায় খাবেন, খরচ কত
এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৯০০–২,৩৫০
কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।
এই জেলার রেস্টুরেন্টের দাম আমাদের হাতে নেই।
চেখে দেখুন
- চরের মহিষের দই হাতিয়া, সুবর্ণচর আর মাইজদীর বাজারে
- চিতই পিঠা ও হাঁসের মাংস শীতে মাইজদী আর চৌমুহনীর রাস্তার পিঠার দোকানে রাস্তার দোকানে একেকটা পিঠা মোটামুটি ১০–২০ টাকা
- হাতিয়ার ইলিশ ও নোনা ইলিশ হাতিয়া দ্বীপের চেয়ারম্যান ঘাটসহ মাছঘাট, আর দ্বীপের ভাতের হোটেল
দামগুলো কোথা থেকে
এটা আন্দাজ। নোয়াখালীর খাবারের তারিখসহ দাম পাওয়া যায়নি, তাই কুমিল্লা শহরের ২০২৩ সালের হোটেলের দাম আর আশপাশের জেলার হিসাব ধরা হয়েছে। হাতিয়া আর নিঝুম দ্বীপে বাজারের সাধারণ হোটেলই ভরসা, সেখানে সামুদ্রিক মাছ আর চিংড়ি ভাজা ভালো পাওয়া যায়।
দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।



