
ঠাকুরগাঁও Thakurgaon
বিশাল আমগাছ, নিরিবিলি দিঘি আর পুরনো গ্রামের মেলা
ঠাকুরগাঁও দেশের একেবারে উত্তর‑পশ্চিম কোণের শান্ত, চাষবাসের জেলা। চারদিকে খোলা মাঠ, সাঁওতালদের গ্রাম আর বড় বড় পুরনো দিঘি। লোকে ঠাকুরগাঁওকে চেনে বালিয়াডাঙ্গীর সেই আমগাছের জন্য, যার ডালপালা চারদিকে ছড়িয়ে গেছে অনেক দূর। আরও আছে বালিয়ার ‘জিনের মসজিদ’ আর কয়েকশ বছরের পুরনো নেকমরদ মেলা।
- বালিয়াডাঙ্গীর বিশাল আমগাছ
- বালিয়া মসজিদ
- রামরাই দিঘি
- নেকমরদ মেলা
- সূর্যপুরী আম
ঘোরার জায়গা
ঘোরার জায়গা বালিয়া মসজিদ
Balia Mosqueবিশ শতকের শুরুর দিকের মসজিদ, এলাকায় ‘জিনের মসজিদ’ নামে পরিচিত। গম্বুজগুলো বসানো হয়েছে মাত্র সেদিন।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা রামরাই দিঘি
Ramrai Dighiঠাকুরগাঁওয়ের সবচেয়ে বড় আর সবচেয়ে পুরনো দিঘি। রানীশংকৈলে, চারপাশে লিচুগাছের সারি।
ঘোরার জায়গা হরিপুর রাজবাড়ী
Haripur Rajbariসীমান্ত ঘেঁষা দূরের এক উপজেলায় রং‑চটা জমিদার প্রাসাদ। সামনে নকশা, ভেতরে ফাঁকা ঘর।
ঘোরার জায়গা জামালপুর জমিদারবাড়ি জামে মসজিদ
Jamalpur Zamindar Bari Mosqueউনিশ শতকের জমিদারবাড়ির মসজিদ। তিনটা নকশাদার গম্বুজ ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে সারি সারি লম্বা মিনার।
ঘোরার জায়গা রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি
Raja Tonkonath's Palace, Ranisankailমালদুয়ার জমিদারির শেষ রাজার ভাঙাচোরা রাজবাড়ি। তাঁর রানির নামেই রাণীশংকৈলের নাম।
খাবার
ঐতিহ্য
কোথায় থাকবেন
সব জেলার হোটেল ভাড়া দেখুন →- সাধারণ হোটেল
- ৳৬০০–১,৫০০
- ভালো হোটেল
- ৳১,৫০০–৩,০০০
- অভিজাত রিসোর্ট
- তথ্য নেই
এই জেলার দামের সীমাটা আশপাশের জেলা দেখে আনুমানিক ধরা। নিচে কোনো হোটেলের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
দামগুলো কোথা থেকে
আনুমানিক: ঠাকুরগাঁওয়ের হোটেল ভাড়ার নির্ভরযোগ্য সূত্র পাওয়া যায়নি; কুষ্টিয়া (৫০০–২,০০০), মেহেরপুর (৫০০–২,০০০), নওগাঁর (৫০০–৩,০০০) মতো ছোট জেলা শহরের পাওয়া দাম দেখে ধরা।
দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।
কোথায় খাবেন, খরচ কত
এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৭০০–২,১৫০
কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।
এই জেলার রেস্টুরেন্টের দাম আমাদের হাতে নেই।
চেখে দেখুন
- সূর্যপুরী আম জুন–জুলাইয়ে ঠাকুরগাঁও শহরের বাজার আর বালিয়াডাঙ্গী বাজার মৌসুমে কেজিপ্রতি মোটামুটি ৬০–১২০ টাকা
- শীতের পিঠা শীতের সকালে আর সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও শহরের রাস্তার পাশের পিঠার দোকান রাস্তার পাশের দোকানে প্রতিটা মোটামুটি ১০–২০ টাকা
দামগুলো কোথা থেকে
তথ্য কম: ঠাকুরগাঁওয়ের কোনো হোটেলের দাম পাওয়া যায়নি। খাবারের খরচ ধরা হয়েছে উত্তরবঙ্গের ২০২৪-২৫ সালের পাওয়া দাম থেকে, যেমন গাইবান্ধার কাছে ভাত-গরুর মাংস-ভর্তার পুরো প্লেট ১৩০ টাকা, রাজশাহীতে কালাভুনা দিয়ে খাওয়া ১০০-১৫০ টাকা, নওগাঁয় বিরিয়ানি ১৮০-২০০ টাকা।
দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।




