
বরগুনা Barguna
নিরিবিলি সৈকত, উপকূলের বন আর জেলেদের ঘাট
বিষখালী আর পায়রা নদী যেখানে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়েছে, তার মাঝখানে বরগুনা। এখানে আছে ভিড়হীন শুভ সন্ধ্যা সৈকত, টেংরাগিরির ম্যানগ্রোভ বন, তালতলীর রাখাইন পাড়া আর সারাক্ষণ ব্যস্ত পাথরঘাটার মাছঘাট। ভেতরের দিকে গেলে পাবেন মোগল আমলের একটা মসজিদও।
এক নজরে
- ঢাকা থেকে
- সড়কপথে প্রায় ২৬০ কিলোমিটার, বাসে বা গাড়িতে মোটামুটি ৭–৯ ঘণ্টা
- খরচ
- থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে জনপ্রতি দিনে ৭০০–২,২৫০ টাকা (আনুমানিক)
- যাওয়ার সেরা সময়
- নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি, আবহাওয়া শান্ত থাকে, সৈকতে যাওয়ার জন্য ভালো
- ঘোরার জায়গা
- ৭টা, যেমন শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত, টেংরাগিরি বন আর বিবিচিনি শাহী মসজিদ
সময় আর খরচ আমাদের প্ল্যানার আর সংগ্রহ করা দামের হিসাব। যাওয়ার আগে একবার মিলিয়ে নিন।
- শুভ সন্ধ্যা সৈকত
- টেংরাগিরি বন
- বিবিচিনি শাহী মসজিদ
- পাথরঘাটার মাছঘাট
ঘোরার জায়গা
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত
Shuvo Sondha sea beachতালতলীর লম্বা, নিরিবিলি সৈকত। তিন নদী এখানে সাগরে মিশেছে, পাড়জুড়ে ঝাউগাছ।
ঘোরার জায়গা টেংরাগিরি বন
Tengragiri forestতালতলীর বড় উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ বন, সোনাকাটা ইকোপার্কে হাঁটার পথ আছে।
ঘোরার জায়গা বিবিচিনি শাহী মসজিদ
Bibi Chini Mosqueবেতাগীর গ্রামে উঁচু ঢিবির ওপর মোগল আমলের ছোট ইটের মসজিদ।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা তালতলী রাখাইন বৌদ্ধ মন্দির
Taltoli Rakhine Buddhist templeতালতলীর রাখাইন পাড়া আর বৌদ্ধ মন্দির, তাদের নিজস্ব কারুকাজ আর রীতিনীতি নিয়ে।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা লালদিয়া সমুদ্রসৈকত ও বন
Laldia sea beach and forestপাথরঘাটার নিরিবিলি সৈকত। বলেশ্বর আর বিষখালী এখানে সাগরে মিশেছে। এক পাশে বন, অন্য পাশে খোলা পানি।
খাবার
ঐতিহ্য
কোথায় থাকবেন
সব জেলার হোটেল ভাড়া দেখুন →- সাধারণ হোটেল
- ৳৬০০–১,৫০০
- ভালো হোটেল
- ৳১,৫০০–৩,০০০
- অভিজাত রিসোর্ট
- তথ্য নেই
এই জেলার দামের সীমাটা আশপাশের জেলা দেখে আনুমানিক ধরা। নিচে কোনো হোটেলের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
দামগুলো কোথা থেকে
আনুমানিক: বরগুনার হোটেল ভাড়ার নির্ভরযোগ্য সূত্র পাওয়া যায়নি; কুষ্টিয়া (৫০০–২,০০০), মেহেরপুর (৫০০–২,০০০), নওগাঁর (৫০০–৩,০০০) মতো ছোট জেলা শহরের পাওয়া দাম দেখে ধরা।
দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।
কোথায় খাবেন, খরচ কত
এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৭০০–২,২৫০
কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।
এই জেলার রেস্টুরেন্টের দাম আমাদের হাতে নেই।
চেখে দেখুন
- পাথরঘাটার ইলিশ পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের আশপাশের হোটেলে
- উপকূলের শুঁটকি পাথরঘাটা আর তালতলীর বাজারে
দামগুলো কোথা থেকে
এটা আন্দাজ। বরগুনার খাবারের তারিখসহ দাম পাওয়া যায়নি, তাই পাশের পটুয়াখালী, বরিশাল আর বাগেরহাটের হিসাব ধরা হয়েছে। পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র আর শুভসন্ধ্যা সৈকতের দিকে সাধারণ ভাতের হোটেলে সামুদ্রিক মাছ দিয়ে খাওয়া যায়।
দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।
সাধারণ কিছু প্রশ্ন
বরগুনা গেলে কোথায় কোথায় ঘুরবেন?
বরগুনার নামকরা জায়গার মধ্যে আছে শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত, টেংরাগিরি বন, বিবিচিনি শাহী মসজিদ, তালতলী রাখাইন বৌদ্ধ মন্দির আর হরিণঘাটা বন। আমাদের গাইডে বরগুনার মোট ৭টা ঘোরার জায়গার খোঁজ আছে, প্রতিটায় কীভাবে যাবেন আর কখন যাবেন সেটাও লেখা।
ঢাকা থেকে বরগুনা যেতে কত সময় লাগে?
সড়কপথে ঢাকা থেকে বরগুনা প্রায় ২৬০ কিলোমিটার। বাসে বা গাড়িতে মোটামুটি ৭–৯ ঘণ্টা লাগে, পথে জ্যাম কেমন তার ওপর অনেকটা নির্ভর করে।
বরগুনা ঘুরতে খরচ কেমন?
সাধারণ হোটেলে এক রাতের রুম ভাড়া ৬০০–১,৫০০ টাকা, ভালো হোটেলে ১,৫০০–৩,০০০ টাকা। দুজনে এক রুমে থাকলে থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে জনপ্রতি দিনে মোটামুটি ৭০০–২,২৫০ টাকা পড়ে। ঢাকা থেকে যাওয়া‑আসার ভাড়া এর বাইরে। দামগুলো আনুমানিক।
বরগুনা যাওয়ার সেরা সময় কখন?
নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি, আবহাওয়া শান্ত থাকে, সৈকতে যাওয়ার জন্য ভালো।
বরগুনা গিয়ে কী খাবেন?
বরগুনার খাবারের মধ্যে চেখে দেখুন পাথরঘাটার ইলিশ আর উপকূলের শুঁটকি। কোনটা কোথায় পাবেন, তা প্রতিটার পাতায় লেখা আছে।



