বড়কুঠি
Boro Kuthi
পদ্মার পাড়ে আঠারো শতকের ওলন্দাজ কুঠি। রাজশাহীর সবচেয়ে পুরোনো দালানগুলোর একটা।
সাদামাটা, মজবুত দোতলা এই দালানটা ওলন্দাজ বণিকেরা আঠারো শতকের গোড়ায় পদ্মার পাড়ে বানিয়েছিল। এখানে চলত রেশম আর নীলের কারবার। ১৭৫৭ সালের পর ওলন্দাজরা চলে গেলে কুঠিটা যায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে, ১৮৩৩ সালে কিনে নেয় রবার্ট ওয়াটসন অ্যান্ড কোম্পানি। সাতচল্লিশের পর এখানে ছিল সরকারি রসদের গুদাম। ১৯৫৩ সালে নতুন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম প্রশাসনিক দপ্তর বসে এই বড়কুঠিতেই। এখন এটা সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দেখভালে, জাদুঘর বানানোর পরিকল্পনা আছে।
কীভাবে যাবেন
শহরের মাঝখানে, রাজশাহী কলেজের ঠিক দক্ষিণে পদ্মার পাড়ে। যেকোনো রিকশা বা অটো নিয়ে যাবে।
জেনে রাখুন
দালানটা প্রায়ই তালাবন্ধ থাকে, বাইরে থেকে দেখেই ফিরতে হতে পারে। পাশেই পদ্মার বাঁধ, বিকেলে হাঁটাহাঁটির সঙ্গে মিলিয়ে নিন।